বরগুনার বামনায় পুকুরের পানিতে ডুবে মামা ও ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২১ জুন) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আমতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- পূর্ব সফিপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ওবায়দুল (৯) এবং তার আপন মামা হাফেজ তালিমুল ইসলাম (২১)। তালিমুল ইসলাম পবিত্র কোরআনের একজন হাফেজ ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ওবায়দুলকে সাঁতার শেখানোর জন্য বাড়ির পাশের একটি পুকুরে নিয়ে যান মামা তালিমুল ইসলাম। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে পুকুরের গভীরতা বেশি হওয়ায় হঠাৎ ওবায়দুল পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে। চোখের সামনে ভাগনেকে ডুবতে দেখে তাকে বাঁচাতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন মামা তালিমুল। কিন্তু ভাগনেকে টেনে তুলতে গিয়ে একপর্যায়ে গভীর পানিতে তিনিও তলিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, তাদের দীর্ঘক্ষণ দেখতে না পেয়ে এবং পুকুরঘাটে জামাকাপড় পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং অচেতন অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা মো. তুহিন হাওলাদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উভয়কেই মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই পানিতে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান জানান, নিহতদের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
শনিবার (২১ জুন) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আমতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- পূর্ব সফিপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ওবায়দুল (৯) এবং তার আপন মামা হাফেজ তালিমুল ইসলাম (২১)। তালিমুল ইসলাম পবিত্র কোরআনের একজন হাফেজ ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ওবায়দুলকে সাঁতার শেখানোর জন্য বাড়ির পাশের একটি পুকুরে নিয়ে যান মামা তালিমুল ইসলাম। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে পুকুরের গভীরতা বেশি হওয়ায় হঠাৎ ওবায়দুল পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে। চোখের সামনে ভাগনেকে ডুবতে দেখে তাকে বাঁচাতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন মামা তালিমুল। কিন্তু ভাগনেকে টেনে তুলতে গিয়ে একপর্যায়ে গভীর পানিতে তিনিও তলিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, তাদের দীর্ঘক্ষণ দেখতে না পেয়ে এবং পুকুরঘাটে জামাকাপড় পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং অচেতন অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা মো. তুহিন হাওলাদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উভয়কেই মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই পানিতে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান জানান, নিহতদের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক